শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:৫৭
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

ভান্ডারিয়ায় তিন সন্তান হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ডেক্সরিপোর্ট:পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় তিন সন্তানকে হত্যার দায়ে পিতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক এ রায় দেন।

সাজা পাওয়া ব্যক্তির নাম জাকির হোসেন (৪৯)। তিনি উপজেলার ধাওয়া নলকাটা গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় জাকির আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন কানাই লাল বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।সরকারপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) জহুরুল ইসলাম।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৯ অক্টোবর দুপুরে জাকির তাঁর স্ত্রী লিপি বেগম (৩০), ছেলে সোহাগ হাওলাদার (১৪) ও ইমরান হাওলাদার (৮) এবং মেয়ে সুলতানা আক্তারকে (৬) দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করতে গিয়ে জাকির দায়ের কোপে বড় ভাই আবুল হোসেনও জখম হন।

স্থানীয় লোকজন লিপি, সোহাগ, ইমরান, সুলতানা ও আবুলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমরান ও সুলতানাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গুরুতর অবস্থায় লিপি ও সোহাগকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্থান্তর করা হয়। পরে সেখান থেকে সোহাগকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহাগ মারা যায়।

এ ঘটনায় আবুল হোসেন ছোট ভাই জাকিরের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। এর আগে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় জাকিরকে আটক করে পুলিশ। ২০১৩ সালের ২৫ মার্চ পুলিশ জাকিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। মামলার ১৩ জনের সাক্ষ্য নেন আদালত।